ProMASS: Jan 04, 2017: সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের পর কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃনমূল কংগ্রেস কর্মীরা গতকাল বিক্ষোভ দেখায়। কলকাতা, কোচবিহার, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ বহু জায়গায় তৃনমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে বি জে পি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও জাতীয় সড়ক অবরোধের অভিযোগ উঠেছে।
কলকাতা বি জে পি-র রাজ্য দফতরে তৃনমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে বহু লোক বিক্ষোভ দেখায়। তাদের আটকাতে বি জে পি কর্মীরা লাঠি হাতে নেমে পড়লে দু পক্ষের মধ্যে তুমুল ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে। পাথর ও ইটের ঘায়ে বেশ কয়েকজন জখম হন। কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সেন্ট্র্যাল অ্যাভিনিউতে ও ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ লাঠি চালিয়ে অবস্থা সামাল দিতে পারেনি। রাজ্য দফতরে উপস্থিত বি জে পি নেতারা অবিলম্বে দলীয় দফতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ও রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীকেও হামলার খবর জানানো হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের সঙ্গে কথা বলেন। সন্ধ্যে নাগাদ পরিস্থিতি সামাল দিতে বি জে পি-র রাজ্য দফতর ও সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে আধা সামরিক বাহিনী মোতায়ন করা হয়।
সুদীপের গ্রেফতারের পর জেলায় জেলায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কোচবিহারের বক্সিরহাট ও ভানুকুমারিতে গত সন্ধ্যায় বি জে পি –র দুটি কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। অভিযোগের তীর তৃনমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের হলদিয়ার ক্ষুদিরাম নগরে গত সন্ধ্যায় বি জে পি-র কার্যালয়ে সুকুমার সেনগুপ্ত ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়।নিরাপত্তারক্ষীদের ও তৃনমূল কংগ্রেস কর্মীরা মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃনমূল কংগ্রেস অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে। উল্লেখ্য, সদ্য বি জে পি-তে যোগ দেওয়া প্রাক্তন সাংসদ লক্ষন শেঠ এখানেই থাকেন।
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের প্রতিবাদে গতকাল বাগনান থানা এলাকার মানকুড় মোড়ে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক তৃনমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা অবরোধ করে। প্রায় ২ ঘন্টা অবরোধচলার পর পুলিশ গিয়ে রাত সাড়ে নটা নাগাদ অবরোধ তোলে।
Courtesy: AIR NEWS