দেশজুড়ে ১২ দফা দাবির সমর্থনে ১১টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ১২ ঘন্টার সাধারণ ধর্মঘট ত্রিপুরায় সর্বাত্মক সফল হয়েছে। সকাল থেকেই জনগণ স্বত:স্ফুর্তভাবে বনধ-এ অংশ নিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট বন্ধ ছিল, রাস্তায় গাড়ি-রিক্সা-অটো চলে নি। অফিস-কাছারি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন অফিস আজ বন্ধ ছিল। রাজ্যে রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে এবং ভারত-বাংলা বাণিজ্যের উপরও বনধ্-এর প্রভাব পড়েছে।
তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে জরুরী কাজে এবং অত্যাবশকীয় পরিষেবার কাজে যান চলাচল চোখে পড়েছে, বনধ্-এর সমর্থকরা এনিয়ে কোন রকম বাধা দেয় নি। বনধ্-এ এরাজ্যে জনজীবনের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, তবে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার কোন খবর নেই।
ত্রিপুরার সন্নিহিত আসামের শিলচর ইত্যাদি স্থানে বনধ-এর তেমন কোন প্রভাব পড়ে নি বলে খবরে প্রকাশ। পশ্চিমবঙ্গ সরকার বনধ্-এর বিরোধিতা করেছে। ফলে কলকাতা সহ সন্নিহিত এলাকায় বনধ্-এর সামান্য প্রভাব পড়েছে। বনধ্ সমর্থক সি পি আই এম এবং বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকদের মধ্যে বচসা ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বড় মাপের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এখন পর্যন্ত ঘটে নি বলে জানা গেছে।
