Roaming along contour of life of Parijat, finding his springtime twinkle star in his ripe age. After 30 years, he explores still twinkling but faded away star.
After winter bites, nature returns to vibrancy, love blossoms in the air. Life of Parijat – a youth – too became colourful during springtime as he won Sutanuka’s delicate heart – but just as springtime does not last long, so does life – shades of colours in canvas of life changes with time. Paramita Gharai runs her pen wonderfully along the contour of life of Parijat.
*Paramita Gharai
Agartala, March 04, 2020:
Holy Fest: Mark of Springtime Joy
রাই ডুবেছে শ্যামসায়রে,
মন ডুবেছে মনে ,
আমার সাথে তোমার পীরিত
ফাগুন সমীরণে।
-একমুঠো বাসন্তী আবির মুখে মাখিয়ে সুতনুকার থুতনির নীচে তর্জনী রাখল পারিজাত। সুতনুকার খোঁপায় লাল পলাশের মালা, সবুজ ব্লাউজ আর হলুদ শাড়ি, কপালে লাল টিপ।থরথর করে কেঁপে উঠল সুতনুকা। গৌরপ্রাঙ্গনের থেকে গান ভেসে আসছে -”রঙ যেন মোর মর্মে লাগে…. রাঙিয়ে দিয়ে যাও….”।
আম্রকুঞ্জের প্রতিটি গাছের মুকুলকে সাক্ষী রেখে দুজনে দুজনকে মন দিয়েছিল। সেটা ছিল তিরিশ বছর আগের এক ফাল্গুনী পূর্ণিমা।
Still twinkling, but Faded Star
তিরিশ বছর পরে পারিজাত আবার এসে দাঁড়ালো আম্রকুঞ্জে। বসন্তোৎসব এখন পেছনের বড় মাঠে হয়। প্রাক্তনী বলে প্রবেশপত্র পেতে অসুবিধে হয়নি পারিজাতের। গৌর প্রাঙ্গণের মঞ্চে একা একা বসে আছে সে। চারদিকে ভিড়। অনুষ্ঠান চলছে। সামনের মাঠে, রাস্তা জনসমুদ্র। আগের মতো উৎসবের মধুরতা নেই । জাঁকজমক , নিয়মকানুন আর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বসন্তোৎসব কেমন যেন যান্ত্রিক ! কিন্তু সেদিন, তিরিশ বছর আগের সেই বসন্তোৎসবে ছিল ভালবাসার আমেজ। সুতনুকা কে বলেছিল সে। অঙ্গীকার করেছিল পরস্পরকে একসঙ্গে আজীবন সঙ্গে থাকার। সুতনুকা কথা রাখেনি। গতবছর এই ফাল্গুনী পূর্ণিমার দিনে সুতনুকা চলে গেছে । মাত্র দুদিনের জ্বরে সব শেষ।
পারিজাত ছুটে এসেছে আজ , বসন্তোৎসবে আম্রকুঞ্জে, সুতনুকাকে যদি আবার খুঁজে পায়!
*Paramita Gharai can be contacted at [email protected]